| |

তুরাগে নৌকাডুবি, এখনো নিখোঁজ মা-মেয়ে

প্রকাশঃ October 10, 2021 | 11:46 am

ভালুকা প্রতিদিন ডেস্ক: সাভারের আমিনবাজার এলাকায় তুরাগ নদে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে আবারও অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিদল। রবিবার (১০ অক্টোবর) সকালে দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয় অভিযান।

শনিবার (৯ অক্টোবর) ভোরে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় তুরাগ নদে বালুভর্তি বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যায় শ্রমিকবাহী নৌকা। এ ঘটনায় চার শিশুসহ পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছে শিশুসহ দুজন।

যাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় তারা হলো সোয়ালা (২০), ইমরান (৪), আলমিনা (৮), ফারহা মনি (৫) ও আরমান (৫)।

বড়দেশী এলাকার বৃদ্ধা চমক জান জানান, নৌকায় তাঁর দুই মেয়ে ও তিন নাতি ছিল। এক মেয়ে ও দুই নাতির লাশ পাওয়া গেলেও মেয়ে রুপায়ন (২৪) ও নাতি জেসমিনের (২) খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁর দুই মেয়ে নদীর পাশে কয়লা লোড-আনলোডের কাজ করতেন।

বেঁচে ফেরা কাবিল হোসেন (২৬) জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বড়দেশী গ্রাম হয়ে কেবলারচর থেকে গাবতলীর দ্বীপনগরে যাচ্ছিল নৌকাটি। তুরাগ নদের মাঝখানে এলে দ্রুতগতির একটি বাল্কহেড নৌকার সামনে চলে আসে। এ সময় নৌকাটি একটু পেছনে চলে যায়। তখন পেছন থেকে আসা আরেকটি বাল্কহেড নৌকাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় সামনে থাকা বাল্কহেডটি নৌকার ওপর উঠে যায়। তখনই ডুবে যায় নৌকাটি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, নৌকায় শিশুসহ ১৮ যাত্রী ছিল। নৌকা ডুবে গেলে ১১ জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ থাকে সাতজন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসসহ একাধিক ডুবুরিদল উদ্ধার অভিযানে নামে। পাশাপাশি সাভার থানা ও নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা বিভাগের নৌ পুলিশের সিনিয়র পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *